গ্রাফিক ডিজাইন

১,৫০০ টাকার লোগো, ৪০ হাজার টাকার রিপ্রিন্ট: একটি বেকারির গল্প

মিরপুরের একটা কেক শপ সস্তায় লোগো ডিজাইন করিয়েছিল। সাইনবোর্ড, পলি ব্যাগ, অ্যাপ্রন আর ফুডপান্ডার প্রোফাইল ছবি — চারটা জায়গাতেই লোগোটা ফেল করল। যে পাঁচটা টেস্ট আগে করলে এটা হতো না।

স্ট্যাক অ্যালিক্স টিমস্ট্যাক অ্যালিক্স টিম২২ সেপ, ২০২৬৯ মিনিট পড়া
শেয়ার করুন

সাইনবোর্ডটা লাগানোর দিন মালিক রাস্তার ওপারে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন — নিজের দোকান দূর থেকে কেমন দেখায়, সেটা দেখার সেই আনন্দটুকুর জন্য। মিরপুর ২-এর ব্যস্ত রাস্তা, দুই লেন দূরত্ব। তিনি তাকিয়ে রইলেন, তারপর চোখ কুঁচকালেন, তারপর আরও কাছে এলেন। নয় হাজার টাকার অ্যাক্রিলিক ব্যাকলিট সাইনবোর্ডে তাঁর বেকারির নামটা পড়া যাচ্ছিল না। অক্ষরগুলো ছিল সরু, নামের নিচে ইটালিক ট্যাগলাইনটা দূর থেকে স্রেফ একটা ধূসর দাগ, আর লোগোর ভেতরের গমের শীষের নকশাটা তিন মিটার দূর থেকেই ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছিল। লোগোটার দাম পড়েছিল পনেরোশো টাকা। সেই পনেরোশো টাকা তাঁকে পরের চার মাসে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকার রিপ্রিন্ট উপহার দিয়েছিল।

মকআপ কখনো মিথ্যা বলে না, কিন্তু পুরো সত্যিও বলে না

লোগোটা তিনি পেয়েছিলেন একটা ফেসবুক গ্রুপ থেকে। ডেলিভারির সময় ডিজাইনার যে ছবিগুলো পাঠিয়েছিলেন সেগুলো দেখতে দারুণ ছিল — একটা কাঠের দেয়ালে সোনালি ফয়েলে লোগো, নরম আলো, ৯০০ পিক্সেল চওড়া। কফির কাপে, ভিজিটিং কার্ডে, একটা ল্যাপটপের স্ক্রিনে। মালিক মুগ্ধ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপ্রুভ করে দিয়েছিলেন। সমস্যা হলো, মকআপ একটা লোগোকে তার সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতে দেখায়: বড়, একরঙা ব্যাকগ্রাউন্ডে, নিখুঁত রেজল্যুশনে, আর কোনো তাড়া ছাড়া। বাস্তব জীবনে লোগো এভাবে কেউ দেখে না। বাস্তবে লোগো দেখা যায় ৪০ পিক্সেলের একটা গোল প্রোফাইল ছবিতে, চলন্ত রিকশা থেকে, একরঙা ছাপার পলি ব্যাগে, আর ধুয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া স্টাফ অ্যাপ্রনে।

লোগো ডিজাইন আসলে ছবি আঁকার কাজ নয়, পুনরুৎপাদনের কাজ। যে চিহ্নটা যত বেশি জায়গায় নিজের চরিত্র না হারিয়ে ছাপা যায়, সেটা তত ভালো লোগো। এই একটা বাক্য যদি মালিক আগে জানতেন, তাহলে তিনি ডিজাইনারকে প্রথম যে প্রশ্নটা করতেন সেটা হতো — এটা এক রঙে ছাপলে কেমন দেখায়?

যে পাঁচটা টেস্ট পাশ না করলে শেষ কিস্তি দেবেন না

লোগো গ্রহণ করার আগে এই পাঁচটা পরীক্ষা নিজেই করে ফেলুন। প্রতিটাতে দুই মিনিটের বেশি লাগে না, আর প্রতিটাই এমন একটা খরচ ঠেকায় যা পরে আর ফেরত পাওয়া যায় না।

  • ৪০ পিক্সেল টেস্ট: লোগোটা ৪০ পিক্সেল চওড়া করে দেখুন। ফুডপান্ডার তালিকায়, ফেসবুকের নোটিফিকেশনে, ব্রাউজারের ফেভিকনে ঠিক এই মাপেই মানুষ আপনাকে দেখবে। ওই মাপে যদি স্রেফ একটা কাদাটে দলা দেখায়, তাহলে লোগোটা ব্যর্থ — যতই সুন্দর হোক।
  • এক রঙের টেস্ট: পুরো লোগোটা ১০০% কালো করে দিন, কোনো গ্রেডিয়েন্ট নয়, কোনো শেড নয়। এখনও চেনা যাচ্ছে? না চিনলে বুঝবেন লোগোর পরিচয়টা আসলে রঙে বাঁধা, আকৃতিতে নয় — আর রঙ সবচেয়ে অবিশ্বস্ত জিনিস।
  • ফটোকপি টেস্ট: প্রিন্ট করে সেই প্রিন্টের একটা ফটোকপি করুন, তারপর সেই কপির আরেকটা কপি। মেমো, চালান, রাবার স্ট্যাম্প — বাংলাদেশের ব্যবসায় এখনো এই তিনটে জিনিসে লোগো ছাপা হয়, আর তিনটেই নির্মম।
  • সুই টেস্ট: স্টাফের অ্যাপ্রন বা ক্যাপে এমব্রয়ডারি করা যাবে? সুই গ্রেডিয়েন্ট বোঝে না, ০.৩ পয়েন্ট হেয়ারলাইনও বোঝে না। এমব্রয়ডারি মেশিনের কাছে আপনার সূক্ষ্ম নকশা মানে সুতোর জট।
  • ক্রপ টেস্ট: গোল করে কাটুন, চৌকো করে কাটুন, কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে বসান। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম আপনার অনুমতি নেবে না — তারা কাটবেই। ট্যাগলাইনটা যদি প্রতিবার কেটে যায়, তাহলে ট্যাগলাইনটা লোগোর অংশই হওয়া উচিত নয়।

ওই বেকারির লোগো পাঁচটার মধ্যে চারটাতেই ফেল করেছিল। শুধু ক্রপ টেস্টে পাশ করেছিল, তাও দৈবক্রমে।

সবচেয়ে দামি ভুল: শুধু একটা JPG হাতে পাওয়া

ডেলিভারি হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন তিনটা ফাইল — একটা PNG, একটা JPG, আর মকআপগুলো। কোনো ভেক্টর ফাইল নেই। এই একটা কারণে সাইনবোর্ডের কাজটা সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়েছিল: সাইনবোর্ড বানানোর দোকান JPG দিয়ে কাজ করতে পারে না, তাই তারা কোরেলড্রতে হাতে ট্রেস করেছে। ট্রেস করতে গিয়ে অক্ষরের বাঁক বদলে গেছে, দুটো অক্ষরের ফাঁক অসমান হয়েছে, আর গমের শীষটা কার্যত নতুন করে আঁকা হয়েছে। যে লোগো তিনি অ্যাপ্রুভ করেছিলেন আর যেটা রাস্তায় ঝুলছিল, সে দুটো একই জিনিস ছিল না।

JPG একটা ছবি। লোগো একটা ফাইল নয়, একটা সিস্টেম। ভেক্টর ছাড়া লোগো হস্তান্তর মানে বাড়ির চাবি না দিয়ে শুধু বাড়ির ছবি দেওয়া।

শেষ কিস্তি দেওয়ার আগে যা যা বুঝে নেবেন: সোর্স ভেক্টর ফাইল (.ai বা .svg), একরঙা কালো ও সাদা ভার্সন, অনুভূমিক ও স্ট্যাকড — দুই ধরনের লকআপ, শুধু আইকনের আলাদা ভার্সন, ব্যবহৃত ফন্টের নাম ও লাইসেন্সের অবস্থা, আর রঙের কোড তিন ফরম্যাটে (HEX, RGB, CMYK)। এই তালিকাটা প্রপোজালে লিখে দিন। যিনি এগুলো দিতে রাজি নন, তিনি লোগো বিক্রি করছেন না, ছবি বিক্রি করছেন।

বাংলা ব্র্যান্ডের নিজস্ব ফাঁদ: টাইপ করা আর আঁকা এক নয়

বাংলাদেশি লোগোতে সবচেয়ে বেশি যে ভুলটা চোখে পড়ে সেটা হলো, নামটা কোনো একটা রেডিমেড বাংলা ফন্টে টাইপ করে দিয়ে সেটাকে লোগো বলে চালিয়ে দেওয়া। ফন্ট আর লোগোটাইপ এক জিনিস নয়। একটা ফন্ট হাজারটা শব্দের জন্য বানানো, আপনার লোগো একটাই শব্দের জন্য। তাই অক্ষরগুলোকে হাতে টেনে ঠিক করতে হয় — মাত্রা লাইনটা সব অক্ষরে এক উচ্চতায় বসছে কি না, যুক্তাক্ষরটা বাকি অক্ষরের চেয়ে ভারী দেখাচ্ছে কি না, দুই অক্ষরের ফাঁক চোখে সমান লাগছে কি না। ফন্টে টাইপ করলে এসবের কিছুই ঠিক হয় না, কারণ ফন্ট আপনার নামটা চেনে না।

আর যদি বাংলা ও ইংরেজি — দুটো নামই লোগোতে থাকে, তাহলে দুটোকে একটা সিস্টেম হিসেবে আঁকতে হবে, পাশাপাশি দুটো আলাদা ফন্ট বসিয়ে দিলে হবে না। বাংলার মাত্রা আর ইংরেজির ক্যাপ-হাইট এক লাইনে আসে না, স্ট্রোকের পুরুত্ব মেলে না, আর দুটোর অপটিক্যাল ওজন আলাদা। ভালো ডিজাইনার এই দুটোকে মিলিয়ে একটা কণ্ঠস্বর বানান। সস্তা ডিজাইনার দুটোকে একটার নিচে আরেকটা বসিয়ে দেন, আর ফলাফল দেখতে লাগে দুটো আলাদা ব্র্যান্ডের সহাবস্থান।

রঙ: ল্যাপটপে যা দেখেন, ছাপায় তা পাবেন না

লোগোর রঙটা বাছা হয়েছিল ল্যাপটপের স্ক্রিনে — একটা উজ্জ্বল টিলটানো সবুজ, দেখতে চমৎকার। প্রথম পাঁচশো কেক বক্স ছাপার পর দেখা গেল রঙটা ঘোলা জলপাই রঙে দাঁড়িয়েছে। কারণটা প্রযুক্তিগত এবং সবাই এতে ধরা খায়: স্ক্রিন আলো ছুড়ে দেয় (RGB), ছাপা আলো শুষে নেয় (CMYK)। RGB-র উজ্জ্বলতম রঙগুলোর অনেকটাই CMYK-এ বানানোই যায় না। তাই দশ হাজার ইউনিট ছাপার আগে সবসময় একটা প্রিন্টেড প্রুফ চান — স্ক্রিনে দেখা অ্যাপ্রুভাল কোনো অ্যাপ্রুভাল নয়।

খরচের দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ, আর এটা বাংলাদেশে বিশেষভাবে সত্যি। পলি ব্যাগ বা কার্টনের প্রিন্টিং কোটেশনে রঙের সংখ্যা সরাসরি দামে বসে। চার রঙের বদলে এক রঙে ছাপালে প্রতি ব্যাগে দেড় থেকে দুই টাকা পর্যন্ত কমে — দশ হাজার ব্যাগে সেটা পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকার পার্থক্য। যে লোগো এক রঙে ছাপা যায়, সেটা শুধু বেশি টেকসই নয়, সেটা সরাসরি সস্তা। ডিজাইনের সিদ্ধান্ত এখানে সরাসরি একটা প্রোডাকশন খরচের সিদ্ধান্ত, অথচ কেউ ডিজাইনারকে এই প্রশ্নটা করে না।

ফ্রিপিকের ফাঁদ

আরেকটা ভুল, যেটা ধরা পড়তে সবচেয়ে দেরি হয়: ডিজাইনার আইকনটা কোনো স্টক ভেক্টর সাইট থেকে নামিয়ে বসিয়ে দিয়েছেন। দেখতে পেশাদার, দামে সস্তা, আর সম্পূর্ণ অকেজো। কারণ একই আইকন দেশের আরও তিনশো ব্যবসা ব্যবহার করছে, আর সবচেয়ে বড় কথা — যেটা আপনার নিজের আঁকা নয়, সেটা আপনি ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধন করতে পারবেন না। আজ যখন দোকান একটা, তখন এটা তাত্ত্বিক সমস্যা। যেদিন আপনার নামে কেউ নকল প্যাকেট ছাপাবে, সেদিন এটা আইনি সমস্যা, আর তখন আপনার হাতে কোনো কাগজ থাকবে না। ডিপিডিটিতে নিবন্ধনের আগে ডিজাইনারের কাছ থেকে লিখিত নিতে হয় যে মার্কটা মৌলিক এবং সমস্ত স্বত্ব আপনাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হিসাবটা যেখানে দাঁড়াল

  • সাইনবোর্ড, যেটা পড়া যায় না — ৯,০০০ টাকা, পুরোটাই আবার বানাতে হয়েছে
  • ১০,০০০ পলি ব্যাগ, চার রঙে ছাপা, যার নকশা এখন বাতিল — অপচয় ও পুনঃমুদ্রণ মিলিয়ে প্রায় ১৬,০০০ টাকা
  • ৫০০ কেক বক্স, ভুল সবুজ রঙে — ৯,০০০ টাকা
  • ১২টা স্টাফ অ্যাপ্রন, এমব্রয়ডারিতে লোগো যেখানে সুতোর জট — ৫,৪০০ টাকা
  • নতুন লোগো ডিজাইন, ঠিক ব্রিফ ও ঠিক ডেলিভারেবলসহ — ১৬,০০০ টাকা

প্রথম লোগোতে সাশ্রয় হয়েছিল সাড়ে চৌদ্দ হাজার টাকা। সেই সাশ্রয়ের দাম দাঁড়াল প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা, আর চার মাস। এখানে একটা সৎ কথা বলা দরকার — নতুন লোগোর পর বেকারির বিক্রি লাফিয়ে বাড়েনি, কারণ লোগো কেক বিক্রি করে না। কেক বিক্রি করে কেক। লোগো যা করে তা হলো ঘর্ষণ কমায়: ফুডপান্ডার তালিকায় এখন তাদের নাম চেনা যায়, সাইনবোর্ড ত্রিশ মিটার দূর থেকে পড়া যায়, আর পলি ব্যাগের ছাপা খরচ ব্যাগপ্রতি প্রায় দুই টাকা কমেছে। শেষেরটা প্রতি মাসেই টাকা ফেরত দেয়, চুপচাপ।

সাধারণ প্রশ্ন

একটা লোগোর জন্য কত টাকা বাজেট রাখা উচিত? ছোট স্থানীয় ব্যবসার জন্য ১২ থেকে ২৫ হাজার টাকা একটা বাস্তবসম্মত রেঞ্জ, যদি এর মধ্যে ভেক্টর ফাইল, একরঙা ভার্সন, দুই ধরনের লকআপ আর একটা ছোট ইউসেজ গাইড থাকে। সংখ্যাটার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটা প্রোডাকশন খরচের সঙ্গে তুলনা করা — আপনি যদি সাইনবোর্ড, প্যাকেজিং আর ইউনিফর্মে মিলিয়ে ষাট হাজার টাকা ছাপাতে যাচ্ছেন, তাহলে সেই ছাপার ভিত্তিটার পেছনে পনেরোশো টাকা রাখা হিসাবের ভুল।

ক্যানভা দিয়ে নিজে লোগো বানানো যায় না? টেস্ট করার জন্য, প্রথম ছয় মাস চালানোর জন্য, বা ফেসবুক পেজ খোলার জন্য চলে যায়। সমস্যা শুরু হয় যখন ছাপাখানায় যেতে হবে — ক্যানভার ফ্রি টায়ারে সত্যিকারের সম্পাদনযোগ্য ভেক্টর পাওয়া যায় না, আর যে টেমপ্লেট আপনি বেছেছেন সেটা আরও হাজারজন বেছেছে। নিজের হাতে বানানো লোগো নিয়ে ছয় মাস চলুন, তারপর ছাপার আগে সেটাকে প্রফেশনাল দিয়ে ভেক্টরে ঠিক করিয়ে নিন — এটা একটা সম্মানজনক পথ।

ডিজাইনার ১২টা অপশন দিয়েছেন, কোনটা নেব? ১২টা অপশন পাওয়া নিজেই একটা বিপদসংকেত। এর মানে ডিজাইনার কোনো যুক্তি নিয়ে আসেননি, শুধু সম্ভাবনা ছুড়ে দিয়েছেন আর সিদ্ধান্তের ভারটা আপনার ঘাড়ে ফেলেছেন। দুই-তিনটা দিকনির্দেশনা চান, আর প্রতিটার সঙ্গে চান একটা ব্যাখ্যা — কেন এই আকৃতি, কেন এই রঙ, ছোট মাপে এটা কীভাবে কাজ করবে। ব্যাখ্যা ছাড়া অপশন হলো লটারি।

পুরনো লোগো বদলালে কি কাস্টমার হারাব? ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এই ভয়টা প্রায় সবসময় অতিরঞ্জিত। আপনার লোগো এখনো এত পরিচিত হয়নি যে বদলালে কেউ পথ হারাবে। বরং যত দেরি করবেন, তত বেশি ছাপা জিনিস বাতিল করতে হবে। বদলানোর সঠিক সময় হলো প্যাকেজিংয়ের স্টক ফুরানোর ঠিক আগের মুহূর্তটা।

স্ট্যাক অ্যালিক্সে আমরা লোগো ডেলিভারির সঙ্গে সোর্স ভেক্টর, একরঙা ভার্সন আর ছাপাখানায় ধরিয়ে দেওয়ার মতো একটা ফাইল সেট দিই — যাতে সাইনবোর্ডের দোকানকে কোনোদিন আপনার নাম হাতে ট্রেস করতে না হয়। আপনার হাতে যদি এখন শুধু একটা PNG থাকে, আমাদের দেখান; কী কী নেই সেটা বলতে পাঁচ মিনিটের বেশি লাগবে না।

ট্যাগ:গ্রাফিক ডিজাইন#logo design#brand identity#graphic design#freelancing#print design#bangla typography#branding mistakes
স্ট্যাক অ্যালিক্স টিম
লেখক সম্পর্কে
স্ট্যাক অ্যালিক্স টিম
Stack Alix কন্ট্রিবিউটর

ডিজিটাল প্রোডাক্ট, ডেভেলপমেন্ট ও অনলাইন ব্যবসা নিয়ে নিয়মিত লেখেন।

সম্পর্কিত আর্টিকেল

নতুন আর্টিকেল ইনবক্সে পেতে চান?

সপ্তাহের সেরা টিপস ও গাইড সরাসরি আপনার ইমেইলে।